1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন পলাশে শিক্ষার্থীর ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত মানিকছড়ি ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)  অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন আশুলিয়ায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎আলেম সমাজের সঙ্গে আবুল হোসেন মিয়ার মতবিনিময়: ঐক্য, উন্নয়ন ও দ্বীনি মূল্যবোধ জোরদারের আহ্বান ‎ ভাষা সৈনিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গৌরনদীতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশ ক্যাম্পের উদ্ধোধন বার্থী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে শরীফ সাহাবুব হাসানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী ফেসবুকে ফেক আইডি দিয়ে সংগঠিত অপপ্রচার দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি। ‎গৌরনদীতে বোতলজাত তেল ভরতে গিয়ে বাইকে আগুন, বাইকার দগ্ধ পিতার বিরুদ্ধে ৭ মাসের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

বারবার হাত বদলে ৪৬ টাকার আলু বিক্রি হচ্ছে দেড়গুণ বেশি দামে

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি : নিত্যপণ্যের পাশাপাশি অস্থিরতা আলুর বাজারেও। খুচরা বাজার পর্যন্ত গিয়ে প্রতিকেজি আলুর যৌক্তিক সর্বোচ্চ দাম ৪৬ টাকা। অথচ কৃষক থেকে ক্রেতা পর্যন্ত ৫ বার হাত বদলের পর সেই আলু বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। আর মাঝখানের অসাধুদের তৎপরতা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় যা ধীরে ধীরে লাগামহীন।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের হিসাবে, প্রতিকেজি আলুর উৎপাদন খরচ ১২ থেকে ১৩ টাকা। এরপর হিমাগার ভাড়া, পরিবহনসহ সব খরচ বাদ দিয়ে খুচরা বাজারে আলুর যৌক্তিক দাম সর্বোচ্চ দাঁড়ায় ৪৬ টাকায়। অথচ কৃষক থেকে মজুতদার, ফড়িয়া, আড়তদার, পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ী হয়ে সেই আলু ক্রেতার ব্যাগে যাচ্ছে ৭০ টাকায়।

পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, আলু সংরক্ষণকারী ব্যবসায়ী ও হিমাগারের ফড়িয়া ব্যবসায়ীরাই নিয়ন্ত্রণ করে আলুর দাম। যদিও বিষয়টি স্বীকার করতে চান না কেউ।

কৃষক বলছেন, উৎপাদন খরচের সাথে লাভ যোগ করে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে বড় বড় ব্যবসায়ীরা টাকা দিয়ে আলু মজুত করে রাখেন বলেও অভিযোগ তাদের। অবশ্য হিমাগার ম্যানেজাররা, আলু কেনা-বেচায় ফড়িয়া থাকার কথা অস্বীকার করেন। এদিকে, আড়তদারদের দাবি, বস্তা প্রতি মজুতদারেরা ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা লাভ করছেন।

মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম কমানো ও সরকারের কঠোর নজরদারি বাড়ানো হলে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন ক্রেতা–বিক্রেতারা।

একজন আলু ব্যবসায়ী বলেন, ‘যারা স্টক করে, বড় বড় ব্যবসায়ী, তাদের কারসাজিতেই বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। সরকার যদি এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারে তাহলে দামটা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে।’

মুন্সীগঞ্জ আলু ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাসেদ মোল্লা জানান, ‘হিমাগারে আলু সংরক্ষণে খরচ আরও বেড়ে যায়, তবে একে একে ৫ ধাপে দামের বৃদ্ধি খুবই অস্বাভাবিক। আমরা পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানি, সোজা দাম বাড়ানোর বিষয়টি সিন্ডিকেটের কাজ

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত জানান, ‘এ বছর প্রায় ৫০ হাজার টন কম আলু মজুত হয়েছে, তবে ১ লাখ ৫১ হাজার মেট্রিক টন আলু এখনো মজুত রয়েছে। আমরা দাম নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়িয়েছি, তবে সিন্ডিকেটের প্রভাব মোকাবেলা করতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।’

এদিকে, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সামির হোসেন সিয়াম বলেন, ‘আমরা বাজার তদারকি করছি এবং প্রয়োজনে প্রশাসনকে নিয়ে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাজারে যাতে সিন্ডিকেট কাজ না করতে পারে, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি।’

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD