1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চ্যানেল নাইন সাংবাদিক ফাহিমকে হুমকি, আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি বৈষম্যহীন পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল গঠন করবেন; পার্বত্য মন্ত্রী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান পীরগঞ্জে কৃষির নতুন সম্ভাবনা নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬ রাণীশংকৈলে কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে“পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬” অনুষ্ঠিত ‎স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন, ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ আশ্বাস জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কোর কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে সাংবাদিক সাব্বির আহম্মেদ প্রয়াত প্রভাষক ফকরুল আলমের স্মরণসভা ও দোয়া মোনাজাত গৌরনদীতে উপজেলা প্রশাসন ও মিরকাদিম পৌরসভার প্রশাসকের আন্তরিক সহযোগিতায় চলছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের অভিযোগ ১ জেলে আটক জুড়ীর মনিরুজ্জামান এবার সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা

ধামরাই আলাদীন্’স পার্কে শিক্ষার্থী-পার্ক কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ৪

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা) : ঢাকার ধামরাইয়ে আলাদীন্’স পার্ক নামে একটি বিনোদন কেন্দ্রে ঢাকার মিরপুরের বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়। গতকাল রাতে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের সীতি এলাকার আলাদীন্’স পার্কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাতে কলেজের শিক্ষক মো. আব্দুল হাই বাদী হয়ে ধামরাই থানায় মামলা করেন।গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. রাকিব (২৩), অন্তর (১৮), মো. সুমন (৩১), মো. রানা (২৩)। তারা সবাই ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের সীতি এলাকার বাসিন্দা।এছাড়া মামলার আসামীরা হলেন, আলাদীন্’স পার্কের মালিকের ছেলে রিফাত মাহমুদ (৩৫), পার্কের ব্যবস্থাপক নকিবুল রনি (৪৮), মালিক আলাউদ্দিন (৫৭), পার্কে কর্মরত আবুল কালাম আজাদ (৩৫) । এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ২৫-৩০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার বাদী বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজের শিক্ষক মো. আব্দুল হাই বলেন, আলাদীনস পার্কের লোকজন আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায়। তারা কাঠের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করেন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারা শিক্ষাক্ষীদের উপর হামলা চালালে কয়েকজন শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে আহত হন।তিনি বলেন, আহতদের ধামরাই ও সাভারের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এইচ এসসি পরীক্ষার্থী জাকারিয়া সাভারের বেসরকারি এনাম মেডিকেলে এখনো ভর্তি রয়েছে। সে হাতে মারাত্বক আঘাত পয়েছে। একই শ্রেণির শিক্ষার্থী রিফাতকে আজকে এনাম মেডিকেল থেকে ঢাকায় আনা হচ্ছে। সে মাথায় মারাত্বকভাবে আঘাত পেয়েছেন।ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাতেই একজন শিক্ষক ৪জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন।

এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে আরো ২৫-৩০ জনকে আসামী করা হয়েছে।গতকাল বুধবার বিকেল ৫ টার দিকে ধামরাইয়ের উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের সিতী পাল্লী এলাকায় আলাদীনস পার্কে কয়েক শিক্ষার্থীর মুঠোফোন হারানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে পার্র লোকজন ও ঢাকার মিরপুরের বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।শিক্ষক, আলাদীন্’স পার্ক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৬৫০ জন ১২টি বাসে করে বিনোদন কেন্দ্রটিতে আসেন।

দুপুরের দিকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মোবাইল ফোনসহ মালামাল লকারে রেখে ওয়াটার পার্কে নামেন। তবে পানি থেকে উঠে কয়েকজন শিক্ষার্থী লকার খোলা ও সেখানে মোবাইল ফোন খুঁজে পাননি। শিক্ষার্থীরা এজন্য পার্ক কর্মচারীদের দায়ী করলে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্বিবতণ্ডা হয়। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের মধ্যস্ততায় মীমাংসা হয়, তবে মোবাইল ফোন খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে বিকেল ৫টার দিকে বিনোদন কেন্দ্র ছেড়ে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন না পাওয়া পর্যন্ত বিনোদন কেন্দ্র ছেড়ে যেতে আপত্তি জানান। একপর্যায়ে তারা বিনোদন কেন্দ্রের স্থাপনায় ভাঙচুর করেন। এ সময় বিনোদন কেন্দ্রের কর্মচারীরা তাদের ওপর চড়াও হন। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পার্ক কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের পরিবহনের অন্তত ৮টি বাসে ভাঙচুর করে। সংঘর্ষে অন্তত ২৫-৩০ জন শিক্ষার্থী ও ১০-১৫ জন পার্ক কর্মচারী রক্তাক্ত জখমসহ আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতদের উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।এ বিষয়ে শিক্ষক নাসির আফজাল বলেন, “সকাল ১০টার দিকে আমরা ৬৫০ জন এসেছিলাম ১২টি বাসে করে। বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাটা ঘটে। ছোট থেকে শুরু। কয়েকটি মোবাইল খোয়া যায়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি। তখন বাচ্চারা বলেছে, মোবাইল ছাড়া বাসায় গেলে সমস্যা, যাতে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। তখন আমরা বললাম, তারা যদি না দেয় আমরা দেখবো। এরইমধ্যে তারা (শিক্ষার্থীরা) ভাঙচুর করেছে। এটি দেখে হয়তো আশপাশের লোকজন ডেকেছে। তারাও ভাঙচুর করেছে।

এতে আহত ৬ জনকে এনাম মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে। অনেকে সাধারণ চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। সবমিলিয়ে অন্তত ২০-২৫ জন আহত হয়েছে। আমরা মামলা করবো। বাকিরা থানায় গিয়েছে। এটার ক্ষতিপূরণের বিষয় রয়েছে।এ বিষয়ে আলাদীন্’স পার্কের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা নকিবুল হাসান রনি বলেন, “স্কুল থেকে সকালে পিকনিকে এসেছিল। ঘটনা দুইবার ঘটেছে, দুপুরে একবার, বিকেলে একবার। দুপুরে মীমাংসা হওয়ার পরে বিকেলে যাওয়ার সময় সব কিছু ভাঙচুর করে গেছে। মোবাইল হারানোর মতো কিছুই হয়নি। এইখানে লকার রাখছিল, কার থেকে বের হওয়ার সময়, হতো বা আর একটা লকারে চাবি দিয়ে খুলেছে, সেখানে ১০০টি লকার আছে। এটা নিয়ে আমাদের স্ট্রাফকে প্রথমে মারধর করছে, পরে ওনাদের শিক্ষকদের ডেকে এনে বিষয়টা মীমাংসা করেছি।

শিক্ষকরা বলছে, যে ছেলেকে মারছে তাকে স্বান্তনা দিয়ে চলে গেছে। পরে বের হওয়ার সময় ওরা এমন ভাঙচুর করছে ও স্টাফদের মারধর করছে। মারধরে স্টাফরা নিরুপায় হয়ে যায়। তখন এলাকার মানুষজনও ছিল, তারাও এসেছে, পরে ধাওয়া পাল্টা দেওয়া হয়েছে। আমাদের ১৫-১৬ জন আহত হয়েছে, এর মধ্যে সবাই রক্তাক্ত জখম। আহত সবাই সরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD