1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আনোয়ারায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে নরসিংদীতে মহান মে দিবস ইসলামই শ্রমিকের অধিকারের শ্রেষ্ঠ গ্যারান্টি: কয়রায় মে দিবসের আলোচনা সভা ও র‍্যালি রাণীশংকৈলে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা কালিয়াকৈরে ৭ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার মদনে ইয়াবা ব্যবসায়ী রবিউল গ্রেপ্তার প্রশংসায় ভাসছেন নবাগত ওসি সাভার-আশুলিয়ায় লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকটে পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত মহান মে দিবসে আশুলিয়ায় ৭ দফা দাবিতে শ্রমিকদের মিছিল-সমাবেশ বরাদ্দ আছে, সমাধান নেই—চাতরী চৌমুহনীতে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ ঠাকুরগাঁওয়ে নদী খনন নিয়ে গ্রামবাসী ও ঠিকাদারের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা, আহত ৩

বংশী নদীর উপর বাঁশের সাঁকোটি এখন মরণ ফাঁদ

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাইয়ে ছোট কালামপুর-দেপাশাই কারাবিল এলাকার মধ্যবর্তী বংশী নদীর ওপর ঠিকাদারের নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি মাঝখানে ধসে যাওয়ায় এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।যে কোন সময় সাঁকোটি ভেঙ্গে পড়ে কারো মৃত্যুর কারন হতে পারে। তাই এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত বাঁশের সাঁকোটি মেরামত করে জনসাধারনকে ঝুঁকিমুক্ত করা।জানা গেছে, ধামরাইয়ের সুতিপাড়া ইউনিয়নের ছোট কালামপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে সোমভাগ ইউনিয়নের সাঁকোটি দেপাশাই কারাবিল এলাকার মধ্যবর্তী বংশী নদীর ওপর প্রায় ১৫-১৬ বছর আগে ৭৪ মিটার দৈর্ঘ্যের আট ফুট প্রস্থ নিচু করে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।

নির্মাণের পর থেকেই সেতুটির নিচ দিয়ে নৌকা বা বালুবাহী কার্গো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপরও কার্গো চলার চেষ্টা করলে মাঝে মধ্যেই ধাক্কা লেগে সেতুটি ক্ষতির মুখে পড়ে। এরপর গত বছর ওই পুরনো সরু সেতুটি ভেঙ্গে নতুন সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর।২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৬৬ হাজার ৩৫৮ টাকা ব্যয়ে ৭২ মিটার দৈর্ঘ্য একটি সেতু নির্মাণের কার্যাদেশ পান মেসার্স কামারজানী-আনোয়ারা (জেভি) নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ২০২৩ সালের ২৪ জুন সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও গতকাল রোববার পর্যন্ত কাজই শুরু করেনি। তবে গত ৯ মাস আগে পুরনো সরু সেতুটি ভেঙ্গে পাশেই একটি বাঁশের সাকো নির্মাণ করে দিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

কিন্তু ওই বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন দেপাশাই, কারাবিল, ভালুম, শৈলান, পথহারা, আলোকদিয়া, চাপিল, নওগাও, কালামপুর, গোয়ালদী, কাশিপুরসহ ১২-১৩টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে থাকে।বর্তমানে বাঁশের সাঁকোটি মাঝখানে ধসে পড়েছে।

এ চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বাঁশের সাঁকোটি দিয়ে। আর কেউ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও যেকোন সময় সাঁকোটি ধসে পড়ে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা জানান। স্থানীয়রা জানান, আমাদের চলাচলের জন্য ঝুঁকিমুক্ত ভাল সেতুটি ভেঙ্গে ফেলেছে ঠিকাদার। এখন আমরা প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষ চলাচল করতে পারছি না। আর কবে হবে নতুন সেতু তাও বুঝতে পারছি না । সব মিলে আমরা চরম ভোগান্তিতে আছি। কারন সেতু শুরু করার আগেই মেয়াদ শেষ হয়েছে বলে জানান তারা।

সেতুটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান বলেন, কাজটি শুরু করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে অনেক বার বলা হয়েছে কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করছেন না। তবে দ্রুতই কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি। এব্যাপারে অনেক চেষ্টা করেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD