
গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের গৌরনদীতে সাকিব নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মাদক কারবার, আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে হুমকি এবং বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন সাকিব। এ ছাড়া, কিছুদিন আগে ইয়াবাসহ ডিবি পুলিশের হাতে তাঁর আটকের ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। তবে এসব তথ্যের স্বাধীন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট মামলার নথি পাওয়া সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ৫ আগস্টের পর স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে সাকিব এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের ভূমিকা এবং অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ
অভিযোগ রয়েছে, ইয়াবা ও মাদক ব্যবসার কথা বলে এক ট্রাকচালকের কাছ থেকে টাকা ধার নেন সাকিব। পরে ওই ট্রাকচালক টাকা ফেরত চাইলে তাঁকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মাধ্যমে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বক্তব্য, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ এবং কোনো সাধারণ ডায়েরি বা মামলা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।
সাংবাদিককে হুমকির অভিযোগ
অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য নিতে এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তথ্য যাচাই করতে সাংবাদিক প্রতিনিধি সাকিবের বাবা মো. নাসিরের কাছে কিছু তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেন বলে জানা গেছে। এ সময় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেওয়া এবং মারধরের উদ্দেশ্যে লোকজন নিয়ে তেড়ে আসার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটির বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, ভিডিও ফুটেজ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন।
কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগ
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাকিব ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে একটি বেপরোয়া কিশোর গ্যাং পরিচালনা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক নথিপত্র প্রয়োজন।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে সাকিব, তাঁর বাবা মো. নাসির এবং অভিযোগে নাম আসা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও প্রয়োজন।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন: অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই, প্রমাণ সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। চোখ রাখুন আজকের প্রতিদিন-এ।