
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঐক্য, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ সরদার বংশের প্রবীণ ও নবীনদের একসঙ্গে পথচলার দৃশ্য আনন্দিত করেছে প্রবাসে থাকা বংশের সদস্যদের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরদার বংশের সদস্যদের ঐক্য ও সম্প্রীতির ছবি দেখে আবেগাপ্লুত হয়েছেন প্রবাসে থাকা এক সদস্য। তাঁর মতে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পারিবারিক ঐতিহ্য ও সৌহার্দ্যের এই ধারা অব্যাহত থাকা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
প্রবাসে কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও নিজের শিকড় ও পরিবারের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক অটুট রয়েছে সরদার বংশের এই সদস্যের। সকালে ঘুম থেকে উঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছোট ভাই ও ভাতিজাদের প্রকাশিত বিভিন্ন ছবি ও স্ট্যাটাসে প্রবীণ-নবীনদের একসঙ্গে দেখে তিনি গভীর তৃপ্তি অনুভব করেন।
তিনি জানান, তাঁর বাবার মুখে প্রায়ই বাসাইল, কমলাপুর, কালকিনি, ভুরঘাটাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা সরদার গোষ্ঠীর ঐতিহ্য, পরিচিতি ও সম্মানের কথা শুনেছেন। ছয় সমাজের মধ্যে এই বংশের যে ঐতিহ্য ও সম্মান রয়েছে, তা ধরে রাখতে পূর্ববর্তী প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বাপ-চাচারা দীর্ঘদিন ধরে ভালোবাসা, মায়া-মমতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির মাধ্যমে বিশাল এই বংশকে আগলে রেখেছিলেন। বর্তমান প্রজন্মও সেই ঐতিহ্য অনুসরণ করে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় রাখতে এগিয়ে আসছে। প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও নবীনদের অংশগ্রহণে এই ঐক্যের দৃশ্য তাঁকে আশাবাদী করেছে।
প্রবাসে অবস্থান করলেও সরদার বাড়ির সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক সবসময় অটুট রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর মতে, মানুষের মধ্যে মতের পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু পারিবারিক ভালোবাসা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের জায়গাটি সবার জন্য অভিন্ন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরদার বংশের সদস্যরা আগামী দিনেও পারস্পরিক সহযোগিতা, শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে ঐক্য ধরে রাখবেন। নতুন প্রজন্ম যেন পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
তাঁর প্রত্যাশা, সরদার বংশের ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসার বন্ধন আগামী প্রজন্মের হাত ধরে আরও সুদৃঢ় হবে। দূরত্ব কখনো শিকড়ের টান মুছে দিতে পারে না—বরং ভালোবাসা ও ঐক্যের বন্ধনই মানুষকে আপনজনের কাছে হৃদয় দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে।
সরদার বাড়ির ঐক্য চিরজীবী হোক।