1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. khokon28.bd@gmail.com : খোকন হাওলাদার : খোকন হাওলাদার
  3. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  4. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমর্থনে ছাত্রদলের শোভাযাত্রা জাতীয় মহিলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে রাণীশংকৈলের নারী ফুটবলারদের স্বপ্নে নতুন জার্সি ও বল গৌরনদীতে ভুয়া সার্জন গ্রেপ্তার, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ঘিরে নানা প্রশ্ন গৌরনদীতে এসিল্যান্ড মেহেদী হাসানের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: বদলে গেছে ভূমি অফিসের চিত্র মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের খবরে ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস আশুলিয়ায় কাউ বয় ফুডসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ২ লাখ টাকা জরিমানা আশুলিয়ায় অটোভ্যান চালককে গলা কেটে হত্যা, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২ কয়রায় স্বাস্থ্যসেবার মান দেখতে হাসপাতালে এমপি আবুল কালাম আজাদ ধামরাইয়ে দুর্যোগগ্রস্ত ৯ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও শুকনা খাবার বিতরণ বেতনের টাকার ক্ষোভে শেষ হলো প্রাণ,ঠাকুরগাঁওয়ে নিরাপত্তাকর্মী হত্যায় সাবেক সহকর্মী গ্রেপ্তার

সাভারে রিকশাচালককে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ মে, ২০২৪
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে
সাভারে রিকশাচালককে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি || সাভারে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে ফজলু নামে এক রিকশাচালকের পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে একটি আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে রেখেছে রিকশাচালকরা। শুত্রবার (১৭ মে) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে।

আহত রিকশাচালক দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার বাসনাপুর মহল্লার আবুল হোসেনের ছেলে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন, ঢাকা উত্তরের ট্রাফিক পুলিশের রেকার ড্রাইভার সোহেল রানা ও মোস্তফা।

ভুক্তভোগী রিকশাচালক ফজলু জানান, আমি পাকিজার সামনে থেকে রিকশাচালিয়ে গেন্ডার দিকে আসছিলাম। এসময় একটি মোটরসাইকেলে করে দুই ট্রাফিক পুলিশ আমাকে ধাওয়া দেয়। পরে আমি গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডের কাছে এসে রিকশা ব্রেক করি।

এসময় মোটরসাইকেল থেকে ট্রাফিক পুলিশ নেমে আমার বাম পায়ে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করে। পরে আমাকে এলোপাথাড়ি মারধর করে। কিন্তু আমি হাত দিয়ে ঠেকাতে চেষ্টা করি, কিন্তু পারিনি। পরে আমি সড়কে পড়ে যাই সেখান থেকে আর দাঁড়াতে পারছিলাম না। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আমাকে মারধর করা থামায় ট্রাফিক পুলিশ। এরপরে আমাকে চিকিৎসার জন্য সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে পাঠায় বলে জানান তিনি।

রুবেল নামে অপর এক রিকশাচালক অভিযোগ করে বলেন, ট্রাফিক পুলিশরা সকাল থেকেই টাকার জন্য রিকশা ধরে। রিকশা ধরলেই দুই হাজার টাকা করে দিতে হয়। আর যদি কেউ টাকা না দেয় বিভিন্ন ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এজন্য আমরা আজকে সড়কে প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু পুলিশ এসে আমাদের বাঁধা দিয়েছে বলে জানান তিনি।

রেকার চালক মোস্তফা বলেন, আজ আমার ডিউটি ছিল না। আমি এ মারামারির বিষয়ে কিছুর জানি না। বর্তমানে আমি স্যারের সঙ্গে রয়েছি। পরে কথা বলবো বলে জানান তিনি।

সাভার মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রিকশা চালকদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। বিস্তারিত ট্রাফিক পুলিশের অ্যাডমিন জানেন বলে জানান তিনি।

ঢাকা উত্তরের ট্রাফিক পুলিশের অ্যাডমিন হোসেন শহীধ চৌধুরীকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD