
সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সরকারি পাবলিক লাইব্রেরিটি স্থানীয় সাহিত্য সংষ্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গ, কবি,লেখক, সাংবাদিক ও সৃজনশীল ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতায় পাবলিক লাইব্রেরিটি গড়ে উঠেন। প্রতিটি জাতীয় দিবসে লাইব্রেরিটিতে বিতর্ক, সংগীত, রচনা,কবিতা আবৃত্তি,প্রবন্ধপাঠ,চিত্রাঙ্কনের আয়োজন করা হতো নিয়মিত।
আজ এগুলো স্বপ্নছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা, অব্যবস্থাপনা, তদারকির অভাবে লাইব্রেরিটি শিক্ষার আলো থেকে অন্ধকারে পরিণত হয়ে ধ্বংসস্তুপে রূপ নিয়েছে। একাধারে প্রায় ২০ বছর লাইব্রেরিটিতে বই পিপাসু, লেখক, কবি, শিক্ষক, সৃজনশীল মানুষের সরগরম থাকলেও উপজেলা প্রশাসনের তদারকির অভাবে প্রায় দীর্ঘদিন ধরে কোন কমিটি না থাকায় লাইব্রেরিটি এখন অপকর্মের কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লাইব্রেরির প্রবেশের মূল ফটক থেকে শুরু করে ভিতরে প্রবেশের সকল প্রবেশপথ সমুহ সকলের জন্য উম্মুক্ত হয়ে পড়ে আছে। অব্যবস্থাপনার কারণে লাইব্রেরিতে থাকা প্রায় তিন হাজার বই চুরি হয়েছে। দরজা,জানালা, গেইট সবই আজ উম্মুক্ত। লাইব্রেরিতে সেলফ, আলমারী থাকলেও নেই এগুলোতে বইয়ের চিহ্ন। রাতের আঁধারে চোর ও মাদকাসক্তদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। উপজেলা প্রশাসনের এই অব্যবস্থাপনার জন্য উপজেলা নাগরিক কমিটি ও বুদ্ধিজীবিমহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান,আমি মাত্র যোগদান করেছি। সরাইলে একমাত্র লাইব্রেরিটির শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবো। সরাইলের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।