
জুয়েল মিয়া, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি :
জাজিরা ময়না তদন্ত শেষে লাশ নেওয়ার আগ মুহূর্তে মেয়ে আক্তার হাজির ডিসি অফিস শনাক্ত না হওয়ায় অজ্ঞ্যাত পরিচয়েই দাফন সম্পন্ন হলো।

গতকাল রাতে শরীয়তপুরের জাজিরার সেনেরচড় ইউনিয়ন মোকলেস দেওয়ানের বাড়ির দক্ষিণ পাশে বালু দিয়ে সদ্য ভরাট করা স্থানে শিয়ালের আনাগোনা দেখে স্থানীয় লোকজন খোঁজ নিতে গিয়ে, পুঁতে রাখা অবস্থায় অর্ধগলিত (২৫-৩০) বছর বয়স্ক মহিলার লাশটি দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।
ফেইসবুক ও মিডিয়াতে খবরটি ছড়িয়ে পরলে, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মোনা আক্তার পিতা মোকলেস শেখ গ্রাম বৈশাখী পারা বলে দাবি করে আসছিলো। যার প্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া প্রায় শেষের দিকে ছিলো।
মিডিয়ার কল্যানে সেই মেয়ে খবর দেখতে পেয়ে, তার স্বামী নিয়ে হাজির শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। তখন নড়িয়ার মোনার লাশ নয় বলে নিশ্চিত হওয়ার পর। জাজিরা উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ নিয়ে এলাকায় নতুন করে বিকাল থেকেই মানুষের মুখে নতুন প্রশ্ন, লাশটি কার? কোথা থেকে, কিভাবে এলো? সেই সাথে তৈরী হয়েছে অজানা শঙ্কা,আতংক ও উদ্যেগের।
এ বিষয়ে জাজিরা থানার তদন্ত ওসি সুজন হক বলেন, যেহেতু লাশটি মোনার নয় তাই এর কোন দাবিদার না থাকায় আমরা উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দাফনকার্যে প্রেরন করা হয়েছে।যদি কোন দাবিদার আসে সেক্ষেত্র ডিএনএ টেস্টের মাদ্যমেই কেবল এখন তা নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ আছে।