1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দৈনিক দেশ প্রতিদিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে স্কুলের সামনে খোলা ম্যানহোলে চরম ঝুঁকি, দ্রুত ঢাকনা স্থাপনের দাবি বিশ্বনাথে পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ৬ বছরেও শেষ হয়নি সেতু নির্মাণ, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের তালতলীতে ইলিশ শিকারে গিয়ে দুই ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১৬ জেলে; নিখোঁজ ২ ডিবি পরিচয়ে অপহরণ-ছিনতাই: ধামরাইয়ে ভুয়া ডিবির ৪ সদস্য গ্রেফতার নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে গণমাধ্যম ও ডিজিটাল সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ তথ্যমন্ত্রীর ধানডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন এইচ এম তারিকুল ইসলাম কাফী জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাল নবগঠিত আশুলিয়া মডেল প্রেসক্লাব গৌরনদীতে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

৬ বছরেও শেষ হয়নি সেতু নির্মাণ, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে তিতাস নদীর ওপর নির্মাণাধীন একটি সেতুর কাজ শুরু হওয়ার ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের, আর সন্ধ্যার পর নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে কৃষ্ণনগর গ্রাম।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি চালু হলে কৃষ্ণনগর, ভবানীপুর, বনগজ ও বরিশলসহ ৫-৬টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং শিক্ষা, চিকিৎসা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে আসবে স্বস্তি। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল খালেক ও স্কুলছাত্রী ফাহমিদা সুলতানা জানান, ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় তারা সামাজিক নানা সমস্যায় জর্জরিত এবং বর্ষাকালে নৌকায় নদী পার হওয়া অত্যন্ত ভীতিজনক। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে নদী পার হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে এবং প্রতিবছর নৌকাডুবির মতো দুর্ঘটনাও ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আহমেদ হোসেন।

আখাউড়া এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০ কোটি ২ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০৮ মিটার দীর্ঘ সেতুটির কাজ ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ’-এর ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের তিন বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পটি এখনও অসমাপ্ত। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে; সেতুর মাঝখানের ৪০ মিটার স্প্যান ও দুই পাশের অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ অসম্পন্ন রয়ে গেছে।

ঠিকাদার মো. খাইরুল হাসান দাবি করেছেন, ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতার কারণে কাজ দেরি হচ্ছে এবং শিগগিরই তা শুরু হবে। তবে আখাউড়া উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম সুমন জানান, ঠিকাদারের লোকবল ও নির্মাণসামগ্রীর সংকটের কারণেই কাজ বন্ধ রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত প্রকল্পের ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

​ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল মান্নান বলেন, “আমি বিষয়টি বিস্তারিত জেনে ঠিকাদারের সঙ্গে বসব। দ্রুত কাজ শেষ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ঠিকাদার ব্যর্থ হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে”।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD