1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভালোবাসার মানুষ’ নিয়ে আসছেন শিমুল হাসান, প্রকাশ পাচ্ছে আজ সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীতে জামালপুর-১ আসনের সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ গ্রেপ্তার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা রাফিনিয়াকে ছাড়াই নকআউট অভিযান শুরু ব্রাজিলের ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিদর্শন:উন্নয়ন, শিক্ষা ও জনসেবায় গুরুত্বারোপ বিএমএসএফ প্রতিনিধি দল আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যাচ্ছেন গৌরনদীতে ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেফতার মুহাম্মদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে মনোনীত সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক খোকন হাওলাদারকে হুমকির অভিযোগ আশুলিয়ার তাজপুরে ৯৫ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

সাভারে রিকশাচালককে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ মে, ২০২৪
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
সাভারে রিকশাচালককে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি || সাভারে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে ফজলু নামে এক রিকশাচালকের পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে একটি আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে রেখেছে রিকশাচালকরা। শুত্রবার (১৭ মে) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে।

আহত রিকশাচালক দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার বাসনাপুর মহল্লার আবুল হোসেনের ছেলে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন, ঢাকা উত্তরের ট্রাফিক পুলিশের রেকার ড্রাইভার সোহেল রানা ও মোস্তফা।

ভুক্তভোগী রিকশাচালক ফজলু জানান, আমি পাকিজার সামনে থেকে রিকশাচালিয়ে গেন্ডার দিকে আসছিলাম। এসময় একটি মোটরসাইকেলে করে দুই ট্রাফিক পুলিশ আমাকে ধাওয়া দেয়। পরে আমি গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডের কাছে এসে রিকশা ব্রেক করি।

এসময় মোটরসাইকেল থেকে ট্রাফিক পুলিশ নেমে আমার বাম পায়ে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করে। পরে আমাকে এলোপাথাড়ি মারধর করে। কিন্তু আমি হাত দিয়ে ঠেকাতে চেষ্টা করি, কিন্তু পারিনি। পরে আমি সড়কে পড়ে যাই সেখান থেকে আর দাঁড়াতে পারছিলাম না। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আমাকে মারধর করা থামায় ট্রাফিক পুলিশ। এরপরে আমাকে চিকিৎসার জন্য সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে পাঠায় বলে জানান তিনি।

রুবেল নামে অপর এক রিকশাচালক অভিযোগ করে বলেন, ট্রাফিক পুলিশরা সকাল থেকেই টাকার জন্য রিকশা ধরে। রিকশা ধরলেই দুই হাজার টাকা করে দিতে হয়। আর যদি কেউ টাকা না দেয় বিভিন্ন ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এজন্য আমরা আজকে সড়কে প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু পুলিশ এসে আমাদের বাঁধা দিয়েছে বলে জানান তিনি।

রেকার চালক মোস্তফা বলেন, আজ আমার ডিউটি ছিল না। আমি এ মারামারির বিষয়ে কিছুর জানি না। বর্তমানে আমি স্যারের সঙ্গে রয়েছি। পরে কথা বলবো বলে জানান তিনি।

সাভার মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রিকশা চালকদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। বিস্তারিত ট্রাফিক পুলিশের অ্যাডমিন জানেন বলে জানান তিনি।

ঢাকা উত্তরের ট্রাফিক পুলিশের অ্যাডমিন হোসেন শহীধ চৌধুরীকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD