1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গৌরনদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিফিনের রুটিতে ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ মা/দকসেবীকে ছয় মাসের কা/রাদন্ড ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ব্যয় বাড়ছে ৫৪%, খরচ ২৭ হাজার কোটি টাকা ৯ বছর পূর্তিতে মাই কিচেনের মেগা অফার, সব পণ্যে মিলবে আপ-টু ২১% পর্যন্ত ছাড় ধামরাইয়ে ইয়াবাসহ ২ পেশাদার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কয়রায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপন শালিসকারীকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার গজারিয়ায় মাথাভাঙ্গা খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন এমপি কামরুজ্জামান রতন মদন পৌরসভায় নিজ অর্থায়ন ২০০ শত কৃষককের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ধান বিতরণ গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসার কক্ষ থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ব্যয় বাড়ছে ৫৪%, খরচ ২৭ হাজার কোটি টাকা

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে
এক লাফে ৯,৪৯৩ কোটি টাকা বেড়েছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ব্যয়

চীনের অর্থায়নে নির্মাণাধীন ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ব্যয় ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় ৯ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা বেড়ে ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকায় উন্নীত হতে পারে। এই ব্যয় দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু নির্মাণ ব্যয়ের চেয়ে মাত্র প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা কম

প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) আগামী বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

প্রধান সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে অস্থায়ী মেরামতের কাজ করছেন শ্রমিকেরা

কেন বাড়ছে ব্যয়?

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলো হলো—

  • টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি
  • অতিরিক্ত প্রকৌশল কাজ
  • জমি অধিগ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধি
  • ইউটিলিটি স্থানান্তর
  • কর ও ভ্যাটের হার বৃদ্ধি
  • নকশা পরিবর্তন ও নতুন অবকাঠামো সংযোজন

প্রকল্পের ব্যয় ও অর্থায়ন

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালে ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি গ্রহণ করে। এর মধ্যে চীনের অর্থায়নের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন কারণে তা সম্ভব হয়নি।

২০২২ সালের প্রথম সংশোধনীতে প্রকল্প ব্যয় বেড়ে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়।

সর্বশেষ প্রস্তাব অনুযায়ী—

  • সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন: ১৩ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা (প্রায় ৭৬% বৃদ্ধি)
  • চীনের অর্থায়ন: ১৩ হাজার ২৪২ কোটি টাকা (প্রায় ৩৭% বৃদ্ধি)

মেয়াদ বাড়ছে ২০৩০ সাল পর্যন্ত

জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, নকশা সংশোধন এবং নতুন অবকাঠামো যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে দুই বছরের ডিফেক্ট লাইয়াবিলিটি পিরিয়ডও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

খানাখন্দে ভরা সড়কের পাশে রাখা হয়েছে নির্মাণসামগ্রী

অগ্রগতি কত?

২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১৪ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা, যা প্রথম সংশোধিত ব্যয়ের ৮৩ শতাংশ এবং নতুন প্রস্তাবিত ব্যয়ের ৫৩ দশমিক ৮২ শতাংশ।

ডলারের দামই বাড়িয়েছে হাজার কোটি টাকার ব্যয়

প্রথম সংশোধনীতে প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ধরা হয়েছিল ৮৬ টাকা। নতুন প্রস্তাবে তা বেড়ে ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা ধরা হয়েছে।

শুধু টাকার অবমূল্যায়নের কারণেই প্রকল্প ব্যয় ৩ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা বেড়েছে, যা মোট ব্যয় বৃদ্ধির প্রায় ৩৯ শতাংশ

নকশায় বড় পরিবর্তন

নৌপথের নাব্যতা বৃদ্ধি, ভবিষ্যৎ রেল ট্রানজিট করিডোরের সঙ্গে সমন্বয় এবং যানজট নিরসনের লক্ষ্যে প্রকল্পে একাধিক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে—

  • তুরাগ নদের ওপর সেতুর নকশা পরিবর্তন
  • কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ভবন ও টোল প্লাজার উচ্চতা বৃদ্ধি
  • রেল করিডোরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পিয়ার ও স্প্যানের পরিবর্তন
  • বাইপাইলে নতুন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণ
  • কাওলায় বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগের জন্য অতিরিক্ত র‍্যাম্প নির্মাণ

এসব পরিবর্তনের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয় যুক্ত হয়েছে।

গর্তে ভরা সড়কে কাদাপানি পেরিয়ে চলছে যানবাহন

আরও যেসব খাতে ব্যয় বেড়েছে

জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং কর-ভ্যাট বৃদ্ধির কারণে আরও ৩ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা ব্যয় যোগ হয়েছে।

এক্সপ্রেসওয়ের রুট

২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কাওলা থেকে শুরু হয়ে আব্দুল্লাহপুর, কামারপাড়া, ধউর, আশুলিয়া, জিরাবো ও বাইপাইল অতিক্রম করে সাভারের শ্রীপুর বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হবে।

এটি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর এবং দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারের প্রত্যাশা

সরকারের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর যানজট কমবে, সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে, শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে এবং পণ্য পরিবহন ব্যয় ও যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। এর ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD