
আশুলিয়া (ঢাকা) : আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদ সম্মেলন করায় বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলিম মোল্লা আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এবং ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি। তিনি ভাদাইল এলাকার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে।
এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ধামসোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল গফুর মিয়ার মামাতো ভাই হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, অতীতে আলিম মোল্লা প্রকাশ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণা দিলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে গোপনে মাদক ব্যবসা পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, এসব বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে চাইলে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলার আশঙ্কায় অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পান না।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আলিম মোল্লা।
মুঠোফোনে তিনি জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ২০২৩ সালের এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এবং আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ পাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বিষয়টি নিয়ে কোনো পক্ষকে আগেভাগে দোষী বা নির্দোষ ঘোষণা না করে ভাইরাল ভিডিওটির ফরেনসিক পরীক্ষা এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করা হোক। তাদের মতে, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হলে জনমনের বিভ্রান্তি দূর হবে এবং আইনের শাসন নিশ্চিত হবে।