
সভায় শিক্ষার্থীদের মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং, সাইবার প্রতারণা, অনলাইন জুয়া ও নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল। তিনি শিক্ষার্থীদের আইন মেনে চলার পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের দূরে রাখার আহ্বান জানান।
ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বলেন, “অপরাধ প্রতিরোধে শুধু পুলিশের একার পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থী, পরিবার, শিক্ষক ও সমাজের সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।”
তিনি বলেন, কোনো অপরাধ বা অনিয়মের ঘটনা চোখে পড়লে তা গোপন না রেখে অভিভাবক, শিক্ষক কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে সামাজিক অপরাধের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সভায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন থেকেই আইন, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক ভূমিকা রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।