
কিশোরগঞ্জ : নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। উপজেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার ১ হাজার ৭০৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৮১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন আটজন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ফলাফলে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে ভেড়ভেড়ি মাঝাপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করতে পারেননি। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্য শতাংশ।
একই চিত্র দেখা গেছে নয়ানখাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও তাঁদের কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হারও শূন্য শতাংশ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফ-উজ্জামান সরকার বলেন,প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে নন-এমপিওভুক্ত থাকায় অনেক শিক্ষক নিয়মিত কলেজে উপস্থিত থাকেন না। এ ছাড়া তুলনামূলকভাবে দুর্বল শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানোর কারণে পাঠদানে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এসব কারণেই এমন ফলাফল হয়েছে বলে মনে করছি।”
এদিকে, এইচএসসি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শাখায় উপজেলার পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৯৭ জন। এ শাখায় পাসের হার ৩৭ দশমিক ৩১ শতাংশ।
অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আলিম পরীক্ষায় পাঁচটি মাদ্রাসা থেকে ১৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫৭ জন। এ পরীক্ষায় পাসের হার ৪০ দশমিক ৭১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনজন।
দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। তাঁরা ফলাফলের কারণ অনুসন্ধান করে শিক্ষার মানোন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।