1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম গ্রেপ্তার আমতলীতে সাড়ে ৬ হাজার গাছের চারা ও ৩০ হাজার কেজি সার বিতরন কৃষিতে নতুন বিনিয়োগ সংস্কৃতির আলোচনায় গ্রো আপ এগ্রোটেক ‎জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায় আমজাদ দেওয়ান স্কুলের পাশে ময়লার ভাগাড়, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা ম্যানহোলের খোলা গর্তে আতঙ্কিত পথচারী, ধামরাইয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনা সাভার-আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: এমপি সালাউদ্দিন বাবু প্রধানমন্ত্রীর সফরে যোগ দিতে বেইজিং গেলেন তথ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন গোবিন্দ মিস্ত্রি, সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান গৌরনদীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

নাটোরের গায়েবি মসজিদ বা শাহী মসজিদ

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৪৬৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ রবিউল ইসলাম সিয়াম :
নাটোরের গায়েবি মসজিদ বা শাহী মসজিদ। নাটোর শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে গুরুদাসপুর উপজেলার ৬ নং চাপিলা ইউনিয়নের বৃ-চাপিলা গ্রামে অবস্থিত।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা শাহী মসজিদ ‘গায়েবি মসজিদ’ নামেও পরিচিত। কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মসজিদটি কয়েক শত বছরের পুরোনো। মুঘল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মসজিদটি স্থাপন করেন মুনশি এনায়েতউল্লাহ। চাপিলা একসময় ছিল মুঘলদের প্রশাসনিক কেন্দ্র। মুঘল শাসনামলে বাদশাহ শাহজাহানের ছেলে সুজা বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন। সে সময় চাপিলা গ্রামে মুঘল সেনাদের ফাঁড়ি ছিল।

মানুষেরও বসবাস ছিল চাপিলায়। সে সময় নামাজের জন্য এখানে একটি মসজিদ তৈরি করা হয় । এক সময় মুঘল সেনাসহ এলাকার বাসিন্দারা অন্যত্র চলে যায়। কালক্রমে ধ্বংস হয় চাপিলা নগরী। তারপর বহুদিন লোকচক্ষুর আড়ালে ছিল এ অঞ্চল।

১৯৪৭ সালের এর পর এ এলাকায় নতুন করে বসতি গড়তে থাকে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মানুষ। সে সময়ই জঙ্গল পরিষ্কারের সময় এলাকার মানুষ খুঁজে পায় মসজিদটি। অপরূপ সৌন্দর্যের এ মসজিদটির নাম ‘বৃ-চাপিলা শাহি জামে বড় মসজিদ’। তবে দীর্ঘ সময় মসজিদটি জঙ্গলে ঢেকে ছিল যার জন্য সে সময়ই লোক মানুষের মুখে রটে যায়, এক রাতের মধ্যে নির্মিত হয়েছে মসজিদটি; যা থেকে কালক্রমে গায়েবি মসজিদ নামটি ছড়িয়ে পড়ে নাম। ইট-সুরকি দিয়ে তৈরি প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২০ ফুট প্রস্থের মসজিদটির দেয়ালের প্রস্থ ৪ ফুটের মতো।

দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসে মসজিদটি দেখতে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করে। প্রায় চারশ বছরের পুরোনো মসজিদটি সংস্কার করে বর্ধিত অংশে আধুনিকতার ছাপ আনা হয়েছে। তবে কিছু অংশে রেখে দেওয়া হয়েছে পুরোনো নকশা ও কারুকাজ। এলাকাবাসী মনে করে, যথাযথ মসজিদটি ঘিরে গড়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্র।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD