
মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান প্রথমবারে মতো খাগড়াছড়ি জেলা সরকারি সফর করেছেন। সফর সময়ে খাগড়াছড়ি বিভিন্ন দপ্তরে প্রধান, সাংবাদিক, স্থানীয় গণ্যমান্য ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে পৃথক পৃথক ভাবে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি সকালের নিজ জেলায় রাঙ্গামাটির থেকে সড়ক পথে খাগড়াছড়ি আগমন করেছেন। মন্ত্রীকে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
তিনি সোমবার (১১ মে) সকাল ১১টায় সার্কিট হাউস এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। সভায় জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
তিনি বক্তব্য বলেন, বৈষম্যহীন পার্বত্য চট্টগ্রামে গঠন করবেন। একটি জাতির গোষ্ঠীর উন্নয়ন করে দেশ কোনদিন উন্নয়ন হবে না। সকল জাতির অংশিদার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে উন্নয়ন করবে। পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের জাতির সথে বৈষম্য করা কারণে যুদ্ধের পরাজিত হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে বিতারিত হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি জনগণের সেবার মান আরও বাড়াতে আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।
সভা শেষে খাগড়াছড়ির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন মাননীয় মন্ত্রী।শীঘ্রই তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের পুর্নগঠন হবে বলে জানান পার্বত্যমন্ত্রী।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে বলে আশা করছেন জেলাবাসী।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক, জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, মং সার্কেলের প্রধান সাচিংপ্রু চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল্লাহ আল মাহফুজ, মংরাজবাড়ী মংপ্রুসাইন বাহাদুর ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সদস্য কুমার সুইচিংপ্রু সাইন, বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী কমিটি চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।