
সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা জানান, এলাকার যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা এবং সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পরিষদের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে—মাদক ও সামাজিক অপরাধের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি, অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা এবং সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা।
সংগঠনটির নীতিমালায় আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়টি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরিষদের কোনো সাধারণ সদস্য, বিশেষ প্রতিনিধি, উপদেষ্টা কিংবা কার্যনির্বাহী সদস্য কাউকে শারীরিক বা মানসিকভাবে আঘাত করতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে।
পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এলাকায় কোনো অনিয়ম বা অপরাধের তথ্য পাওয়া গেলে নিজেরা আইন প্রয়োগ না করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হবে। পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনায় উপদেষ্টাবৃন্দ, দায়িত্বশীল বিশেষ প্রতিনিধি ও কার্যনির্বাহী সদস্যরা কাজ করছেন। তাদের প্রত্যাশা, দলমত-নির্বিশেষে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে ১ নম্বর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপরাধমুক্ত একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
পরিষদের পক্ষ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।