1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মদনে হাওরে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল কৃষকের আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা? ধামরাইয়ে গৃহবধূর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন মারমা সম্প্রদায়ে বিরুদ্ধে মিথ্যাচারে প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে সংবাদ সম্মেলন রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে মহিলা জামায়াতের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান পার্বতীপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদকসেবী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড আশুলিয়ায় মৃত মুরগী প্রক্রিয়াজাত করে খাদ্যপণ্য তৈরির অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ ‎গৌরনদীতে সড়ক দুর্ঘটনা: নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ৫ জন আহত মদনে পূর্ব শত্রুতার জের বৃদ্ধার দুই পা ভেঙ্গে দিয়ে ‎২ লক্ষ টাকা লুটের প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সরকারের স্কুল ফিডিং কার্যক্রম বানচালে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ফের সক্রিয় গরু চোরাচালান সিন্ডিকেট! গভীর রাতে ঢুকছে ভারতীয় গরু

কালিয়াকৈরে হাতে ভাজা মুড়ির কারিগররা বিপাকে

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

উৎপল রক্ষিত, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ কালিয়াকৈরে হাতে ভাজা মুড়ি বিলুপ্তির পথে। উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের খালিসাজানি, বহেরাতলী এলাকায় প্রায় শতাধিক মানুষ হাতে ভাজা মুড়ি ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। হাতে ভাজা মুড়ি উৎপাদন করে তারা জীবিকা নির্বাহ করছে তাদের অনেকেই অন্য পেশাবলেছেন নিয়েছে।

মুডির ব্যাবসায়ীরা তাদের প্রতি চৌদ্দ মন ধানের মুড়ি ভাজা বাবদ দেয় আট হাজার টাকা চৌদ্দ মন ধানের মুডি তৈরী করতে চার পাঁচ দিন সময় লাগে এবং প্রতি দিন চার থেকে পাঁচ জন শ্রমিকের কাজ করতে হয় তাদের ভাষায় প্রতি একজন শ্রমিকের মজুরি তিন থেকে চার শত টাকা। এত কম মজুরিতে কোন শ্রমিক কাজ করতে চায না তাই অনেকেই মুড়ি ভাজা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। সারা বছর মুড়ি ভেজে জীবিকা নির্বাহ করা যায় না। পবিত্র রমজান মাসে মুড়ির চাহিদা বেশী থাকে।

এ সময় মুড়ির উৎপাদন ও বিক্রি বেড়ে যায়। মুড়ি তৈরির কারিগর ও ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। ব্যবসায়ীরা গাজীপুর ও ঢাকার কারওয়ান বাজারে মুডি বিক্রি করে। এলাকার শতাধিক মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মুড়ি ব্যবসার সাথে জড়িত আছে। মুড়ি ভাজার জন্য বিনা -৭, নাটোর থেকে আনতে হয়, মোথা ধান বরিশাল থেকে সংগ্রহ করতে হয়,এ ছাড়াও ২৯ নম্বর ধান দিয়ে মুড়ি ভাজা হয়। মুড়ি ভাজার এ সব ধানের দাম বেশি।

কালের বিবর্তনের সাথে আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্যাকেটজাত করন মুড়ি ভাজার শিল্প দখল করে রেখেছে। মেশিনে তৈরীর মুড়ির স্বাদ তেমন ভালো হয় না। হাতে ভাজা মুড়ি খেতে সুস্বাদু ও মানুষ খেয়ে তৃপ্তি পায়। মুড়ির ধান, কাঠ,বালু,মাটির হাঁড়ি সহ বিভিন্ন দাম বেড়েছে। মুড়ি ভাজার ধানের দাম বাড়লেও সেই অনুপাতে মুড়ির দাম বাড়েনি।

মোকছদ আলী জানায়, চুলার প্রচন্ড তাপে মুড়ি ভাজতে কষ্ট হয়। দীর্ঘদিন আগুনের চুলায় মুড়ি বাজার কারনে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। মুজরী কম থাকায় মুড়ি ভাজা ছেড়ে দেবার চিন্তা করছি। মুড়ি ব্যবসায়ী আলাল উদ্দিন জানায়,আমাদের হাতে ভাজা মুডি সম্পূর্ণ কেমিক্যাল মুক্ত । প্যাকেট জাত মুড়ির চেয়ে হাতে ভাজা মুড়ির খরচ বেশী পড়ে। ফলে হাতে ভাজা মুড়ির কারিগররা সংকটে পড়েছে। মুড়ি ব্যবসায়ী নুরুল হক জানায়, মুড়ির ধানের দাম বৃদ্ধি, মুড়ি ভাজার উপকরনে র দাম বৃদ্ধির ফলে বাজারে হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা থাকার পরও খরচ বেশী পড়ায় মুড়ি ভাজার আগ্রহ কমে যাচ্ছে।

হাবেল উদ্দিন, মইজ উদ্দিন জানান, মুড়ি ভাজার টাকায় এখন সংসার চলে না। অনেকেই মুড়ি ভাজা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে।

মেশিনের সাহায্যে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ মুড়ি উৎপাদিত হলেও বাজারে হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা বেশী। হাতে ভাজা মুড়ির ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে ব্যবসায়ীরা মনে করেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD