
বরিশালের উজিরপুরে সাফ কবলা দলিল হস্তগত হয় যার নং-১১৯১জমির পরিমাণ-৫৫ শতাংশ, জমির ক্রেতার নাম আব্দুর রশিদ বেপারী, দলিলদাতা -আরব আলি বেপারী।

উক্ত জমিজমা বিষয় নিয়ে শহীদ রারি নামক এক ব্যক্তির নেতৃত্বে আরব আলীর বিকৃত জমি তার উত্তরাধিকাররা জোর করে দখল করে ভবন নির্মাণ করছে।
এগ্রিমেন্ট দলিলে সুষ্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, এগ্রিমেন্ট কালীন সময়ের মধ্যে (বাংলা ১৩৭৫ সালের ২২ শে ফাল্গুন থেকে ১৩৮৭ সালের ৩০ শে ফাল্গুন) অর্থাৎ ১২ (বার) বছরের মধ্যে যদি আরব আলী বেপারী সাফ কবলা দলিলের সমুদয় টাকা এককালীন আব্দুর রশিদ বেপারীকে পরিশোধ করে তবে জমি আইনগত দলিল দ্বারা আপোষে আব্দুর রশিদ বেপারী ফেরত দিবে। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে আরব আলী বেপারী দলিলের সমুদয় টাকা ফেরত দিয়েছে মর্মে কোন তথ্য প্রমাণ বা রিসিট পাওয়া যায়নি। এবং আইনগতভাবে উনি জমি ফেরত নেননি।
এ ঘঠনায় গণমাধ্যম কর্মী ঘটনাস্থলে যেতেই দখলবাজদের চোখ কপালে ওঠে। তাদেরকে অবরুদ্ধ করে তাদের ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলা সহ নারী-পুরুষ মিলে আসতে থাকে একের পর এক হুমকি।
জমির মালিকানার কথা জিজ্ঞেস করতেই তেলেবেগুনে জ্বলে আগুন। কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ রেখে একখানা কোর্টের অর্ডার ধরিয়ে দিয়ে বলল এটাই তাদের মালিকানার কাগজ। সেটি চাইলেও তারা দিতে পারেনি। দখল বাজরা বারবার জিজ্ঞেস করে কে পাঠিয়েছে কেন পাঠিয়েছে আরো নানা প্রশ্নে ডাক চিৎকারে গলা শুকিয়ে ফেলল । এ বিষয়ে যখন সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে যায় তখনই রফিকুল ইসলাম বাদল নামে একজন বিচারকের পরিচয় দিয়ে কথা বলার রেকর্ডিং ফাঁস হয়।
সাফ কবলা দলিল মূলে জমির মালিক আব্দুর রশিদ বেপারীর জমি দখলের বিষয়টির সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা জানতে পেরেছে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে শহীদদের নেতৃত্বে পারভেজ, এরশাদ, রুবেল ও মাইনুল সহ একটি চক্র জমি দখল করে ভবন নির্মাণ করছে।
অন্যদিকে সাংবাদিক বিচারকের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার ফোন ও খুদেবার্তা প্রেরণ করলেও তিনি জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান। উক্ত জমির কাগজ স্থানীয় সাংবাদিকেরা পর্যালোচনা করে দখলের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
স্থানীয়রা বলেন দখল বাজদের অপকর্মে এলাকাবাসী ভীষণভাবে আতংকিত । শহীদ রারীর বর্তমান বিচারক রফিকুল ইসলাম বাদলের ভাই পরিচয়ে এসব অপকর্ম সদম্ভে করে বেড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে উজিরপুর প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। খুব শীঘ্রই বিষয় টি নজরে নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।