1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশালের গৌরনদীতে বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ড উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় প্রধানমন্ত্রীর রাইট টক বাংলাদেশের বরিশালের কমিটি সভাপতি নাহিদ সাধারণ সম্পাদক রুমান হাওলাদারকে গৌরনদীতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল বরিশালে ১৩ জুলাই বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে শুভেচ্ছা তারেক রহমানের বরিশাল আগমন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছে আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ মুন্সী হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোকর্ণ ঘাটে বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন আওয়ামী লীগ আমলে বেড়িবাঁধের অর্থে ব্যাপক দুর্নীতি: নাহিদ ইসলাম নরসিংদী টানা বর্ষণে জলাবদ্বতা, বিপাকে সাধারণ মানুষ কয়রায় বিষযুক্ত ১৫০ কেজি চিংড়ি মাছ সহ নৌকা জব্দ লাখেরাজ কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষায় সাফল্য, বৃত্তি পেল ৫ শিক্ষার্থী

সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা

অনলাইন ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩০০ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা: প্রধান বিচারপতিকে দেওয়া আদালত বর্জনের কর্মসূচি সংক্রান্ত চিঠিতে বিচার বিভাগ নিয়ে অবমাননাকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী। এ আবেদনের পর রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশের জন্য ১৮ মার্চ দিন ধার্য রেখেছেন।

ওই আইনজীবী হলেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ মহসিন রশিদ ও সদস্য সচিব শাহ আহমেদ বাদল।

আদালতে তাদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

২৭ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলন করে ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি আদালত বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।

ওই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে মোহাম্মদ মহসিন রশিদ ও শাহ আহমেদ বাদল ১ জানুয়ারি আদালত বর্জন কর্মসূচি নিয়ে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে চিঠি দেন। পরদিন এ চিঠি প্রধান বিচারপতির দপ্তরে উপস্থাপন করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, আদালত বর্জন কর্মসূচি চলাকালে যেসব মামলায় সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নিতে অথবা নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত থাকতে পারবেন না, সেসব মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হোক।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের অনুপস্থিতিতে মামলা খারিজ বা বিরূপ আদেশ দেওয়া উচিত হবে না।

এ চিঠি নিয়ে দেওয়া আপিল বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে, চিঠিতে কিছু অবমাননাকর বিবৃতি (শব্দ ও বাক্যচয়ন) রয়েছে, যা প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রবিরোধী এবং সামগ্রিকভাবে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি, অবস্থান এবং মর্যাদার প্রতি অবমাননাকর বলে মনে হয়েছে।
পরে ৩ জানুয়ারি এ দুই আইনজীবীকে হাজির হতে বলা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

ওই আদেশ অনুযায়ী দুই আইনজীবী ১১ জানুয়ারি আপিল বিভাগে হাজির হন। সেদিন তাদের পক্ষে সময় আবেদন করলে আদালত ব্যাখ্যা দিতে দুই আইনজীবীকে চার সপ্তাহ সময় দেন। এ সময়ে তারা সুপ্রিম কোর্টে কোনো মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না বলে আদেশ দেন।

তার ধারাবাহিকতায় মামলাটি আবার শুনানির জন্য ওঠে। আজ দুই আইনজীবী নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD