1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ব্যয় বাড়ছে ৫৪%, খরচ ২৭ হাজার কোটি টাকা ৯ বছর পূর্তিতে মাই কিচেনের মেগা অফার, সব পণ্যে মিলবে আপ-টু ২১% পর্যন্ত ছাড় ধামরাইয়ে ইয়াবাসহ ২ পেশাদার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কয়রায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপন শালিসকারীকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার গজারিয়ায় মাথাভাঙ্গা খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন এমপি কামরুজ্জামান রতন মদন পৌরসভায় নিজ অর্থায়ন ২০০ শত কৃষককের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ধান বিতরণ গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসার কক্ষ থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার কালকিনির রমজানপুরে বিএনপির কার্যালয়ের নামে সড়ক ও জনপদের জমি দখলের অভিযোগ: উচ্ছেদের দাবি শায়েখ আহমদুল্লাহর আমন্ত্রণে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর মানবিক কার্যক্রম, শিক্ষা ও প্রবাসী কল্যাণে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ

জাজিরায় প্রার্থীর ষুষের টাকা না নেওয়া প্রকাশ করায় পোলিং অফিসারকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ মে, ২০২৪
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

জুয়েল মিয়া, জেলা প্রতিনিধি শরীয়তপুর : ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০২৪ এর দ্বিতীয় ধাপে আগামী (২১-মে) মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শুরু থেকেই প্রতিনিয়ত নানাভাবে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে মোটরসাইকেল প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেয়া চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজি ও তার কর্মী-সমর্থকরা। নানা সময়ে এ নিয়ে জাজিরায় তৈরী হয় নানা আলোচনা -সমালোচনা।এসব কারণে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিরোনামও হয়েছেন তারা।

এইবার টাকা নিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করায় এক পোলিং অফিসারকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মোটরসাইকেল প্রতীকের ওই চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির সমর্থকদের বিরুদ্ধে।রোববার (১৯ মে) রাতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বি কে নগর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে জাজিরার শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল ২১ মে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হবে জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে ২৫ নং বিকে নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মীর আবু সাইদ পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। পোলিং অফিসার হিসেবে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ নিয়ে রোববার রাতে মীর আবু সাইদ বাড়ির পার্শ্ববর্তী বিকে নগর বাজারে গিয়েছিলেন। রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে অজ্ঞাত এক যুবক মীর আবু সাইদকে বাজারের এক পাশে ডেকে নিয়ে যায় বিকে নগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সরদার, আব্দুল আলী সরদার ও মজিবুর বানিয়ার কাছে। এসময় সাইদুর রহমান সরদারসহ অন্যান্যরা মীর ইমরান আলীকে নির্বাচনের দিন মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির পক্ষে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেন।

বিনিময়ে তাকে মোটা অঙ্কের টাকাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়। সরকারি কাজে নিয়োজিত একজন ব্যক্তি হিসেবে মীর আবু সাইদ এমন প্রস্তাবে রাজি হোননি। এরপর সাইদুর রহমান সরদার, আব্দুল আলী সরদারসহ অন্যান্যরা মীর আবু সাইদকে মারধর করেন। খবর পেয়ে মীর আবু সাইদের স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন মীর আবু সাইদ। এঘটনায় জাজিরা উপজেলার শিক্ষকসহ অন্যান্যদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

পোলিং অফিসার ও শিক্ষক মীর আবু সাইদ বলেন, আসছে ২১ তারিখের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমাকে। প্রশিক্ষণ শেষে আমি বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। এসময় ব্যক্তিগত কাজে বাজারে গেলে একজন লোক আমাকে ডেকে নিয়ে যায় সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমানসহ অন্যান্যদের কাছে। তারা আমাকে টাকার বিনিময়ে মোটরসাইকেল প্রতীকের পক্ষে কাজ করার জন্য প্রস্তাব দিলে আমি অস্বীকৃতি জানাই। এরপর তারা আমাকে মারধর করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমি চিন্তিত হয়ে পড়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমি আমার সিনিয়র শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নিকট অভিযোগ দেব।

অভিযুক্ত মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থক ও বিকে নগর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সরদার বলেন, আপনি কোথা থেকে বিষয়টি জেনেছেন, তা আমি বুঝতে পারছি না। মীর আবু সাইদ এমন কোনো বংশের ছেলে নয় যে, তাকে ম্যানেজ করতে পারলে একশ ভোট পাওয়া যাবে। হতে পারে সে সরকারি চাকুরিজীবী ও পোলিং অফিসার। তার সঙ্গে আমাদের কারও এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি৷ বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির মোবাইল নাম্বারে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জাজিরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আফরোজা আক্তার সুমি বলেন, আমরা সরকারি চাকুরি করি। সরকারের দেওয়া দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। নির্বাচন একটি রাজনৈতিক ইস্যু। কারও পক্ষ নিয়ে কাউকে রাজনৈতিক ভাবে সুযোগ সুবিধা প্রদান করা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও আইনগত ভাবে অন্যায়। আমাদের শিক্ষক মীর আবু সাইদ এমন একটি প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ ভাবে অন্যায়। বিষয়টি নিয়ে আমরা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করব। এঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই আমি।

বিষয়টি নিয়ে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। যদি লিখিত অভিযোগ পাই, তাহলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

প্রসঙ্গত, জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং, পোলিং অফিসারনহ সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ গত বৃহস্পতিবার জাজিরা সরকারি মোহর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ওই প্রশিক্ষণে মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির ছোট ভাই ডা. ইমন ফরাজি উপস্থিত হয়ে প্রিসাইডিং, সহাকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের মোবাইল নাম্বারসহ ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এরপর থেকে প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের টাকার বিনিময়ে মোটরসাইকেল প্রতীকের পক্ষে কাজ করার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD