1. abdussalam190191@gmail.com : মোঃ আব্দুস ছালাম : মোঃ আব্দুস ছালাম
  2. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  3. ajkerpratidin@gmail.com : খোকন হাওলাদার : খোকন হাওলাদার
  4. alaminbappy521@gmail.com : মোঃ আল-আমিন বাপ্পি : মোঃ আল-আমিন বাপ্পি
  5. info.shabbirahammed@gmail.com : Shabbir : Shabbir
  6. khokon28.bd@gmail.com : খোকন হাওলাদার : খোকন হাওলাদার
  7. m01747812260@gmail.com : মোঃ রুবেল : মোঃ রুবেল
  8. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  9. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  10. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কয়রা উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রেখে মাংস বিক্রি, ধামরাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৯৭ বোতল ভারতীয় মাদক উদ্ধার গৌরনদীতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতবিনিময় নাগরিক উদ্যোগ’র মানবাধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে মতবিনিময় গৌরনদীতে সাভারে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘হাইক্কা ডাকাত’ গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা পদে জহির উদ্দিন স্বপন গৌরনদী টিটিসির অধ্যক্ষ ও হিসাব রক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত গৌরনদী, জিরো টলারেন্স কতটা কার্যকর চোখ-মুখ ও গলায় কলসি বাঁধা অবস্থায় নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

আশুলিয়ায় ৩ পুলিশ হত্যা: দুই মামলায় অজ্ঞাত আসামি দেড় শতাধিক

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি : সাভারের আশুলিয়ায় ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে পুলিশের তন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে পৃথক দুটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ শুক্রবার) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ। এর আগে গত বুধবার আশুলিয়া থানায় এ দুটি মামলা করা হয়।

এর মধ্যে একটি মামলার বাদী নিহত পুলিশ সদস্য মো. সোহেল রানার স্ত্রী মোছা. রেশমা পারভীন। এতে অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ সদস্য সোহেল রানা জেলা বিশেষ শাখা (ডিএসবি) আশুলিয়া জোনে কর্মরত ছিলেন। এ মামলায় ডিএসবির আরেক সদস্য এএসআই রাজু আহম্মেদকে হত্যার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরেকটি মামলার বাদী পুলিশ সদস্য মো. রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রাব্বি আক্তার। এটিতেও অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়েছে। তবে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। রফিকুল ইসলাম পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে (মালিবাগ, ঢাকা) কর্মরত ছিলেন।

মোছা. রেশমা পারভীনের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে অজ্ঞাতনামা একদল দুষ্কৃতকারী আশুলিয়া থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করে। এএসআই সোহেল সে সময় বাইপাইল মোড় এলাকায় অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় তিনি নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে পার্শ্ববর্তী ধামসোনা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নিজের ভাড়া বাসায় চলে যান। বিকেল ৪টার দিকে নিরাপত্তার জন্য থানার এএসআই মো. রাজু আহমেদ, কনস্টেবল নাজমুল হক ও কনস্টেবল আতোয়ার হোসেনও ওই একই বাসায় আশ্রয় নেন।

এদিকে দুষ্কৃতকারীরা থানায় তাণ্ডবের পরে তাঁরা আশপাশে পুলিশ সদস্যের অবস্থান খুঁজতে থাকে। বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে ১০০-১৫০ দুষ্কৃতকারীরা ওই ভাড়া বাসায় হামলা চালায়। তারা বাসার ভেতরে ঢুকে বাসায় অবস্থানকারী পুলিশ সদস্যদের কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে কনস্টেবল নাজমুল ও কনস্টেবল আতোয়ার সেখান থেকে কৌশলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আর এএসআই রাজু আহমেদ ও সোহেলের মরদেহ বাসায় পড়ে থাকে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে দুষ্কৃতকারীরা ফের ঘটনাস্থলে এসে এএসআই সোহেলের মরদেহ পুড়িয়ে দেয় ও এএসআই রাজু আহমেদের মরদেহ নিয়ে থানার পাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ফুটওভার ব্রিজে ঝুলিয়ে রাখে। এক দিন পর পরিবারের সদস্যরা সোহেলের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

রাব্বি আক্তারের স্ত্রীর করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ৫ আগস্ট বিকেল ৪টার পর থেকে মো. রফিকুল ইসলামের কোনো খোঁজ পাচ্ছিলেন না তাঁর পরিবারের সদস্যরা। পরদিন তাঁরা জানতে পারেন আশুলিয়া থানা এলাকায় ফুটওভার ব্রিজের সঙ্গে দুজন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এঁদের মধ্যে একজন দেখতে রফিকুল ইসলাম রাব্বির মতো। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রফিকুলের মরদেহ শনাক্ত করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পরে খোঁজ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন রফিকুল ইসলাম ৫ আগস্ট বিকেলে থেকে ৬ আগস্ট সকালের যেকোনো একসময় ওই ফুটওভার ব্রিজের কাছে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা উত্তেজিত জনতা রফিকুলের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ চেক করে পুলিশের পরিচয়পত্র পেয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করে হত্যা করে পায়ে রশি বেঁধে ফুটওভার ব্রিজে ঝুলিয়ে রাখে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ বলেন, গত বুধবার আশুলিয়া থানায় ৫ আগস্টের ঘটনায় পৃথকভাবে দুটি হত্যা মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়েছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD