গত শনিবার ৮ আগস্ট সন্ধ্যা ৭ টার দিকে উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দশ্রী মাইজপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
গুরুতর আহতরা হলেন, গোবিন্দরশ্রী মাইজপাড়া গ্রামের বিল্লাল মিয়ার দুই ছেলে সাব্বির হোসেন (৩০), ও তার স্ত্রী মুন আক্তার (২৫),সাদির হোসেন ( ২৮) ও তার স্ত্রী দিপালী আক্তার ( ২২), প্রতিপক্ষ সাব্বিরের চাচা হবি মিয়া (৫০)।
আহতদের স্বজনেরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাব্বির হোসেন, সাদির হোসেন,ও প্রতিপক্ষ আপন চাচা হবির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তিন জনকেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
সড়জমিনে গিয়ে জানা যায়, গোবিন্দশ্রী মাইঝপাড়া গ্রামের পৈত্রিক সম্পদ নিয়ে মৃত জাবান হোসেনের ছেলে হবি ও বিল্লাল হোসেন তার বোনদের ওয়ারিশনা সম্পদ ভাগ বাটোয়ারা করার পরে বড় ভাই বিল্লালের কাছে বিক্রি করে।
দুই বোনের ওয়ারিশান সম্পদ বড় ভাই বিল্লাল কেনার কারণে ছোট ভাই হবি মিয়া বড় ভাই বিল্লালের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল।
গতকাল সন্ধ্যায় হবি মিয়া তার বড় ভাই বিল্লালের ঘরে ঢুকে প্রথমে আক্রমণ করে ঘরের জিনিসপত্র দরজা, জানালা ,ভাঙচুর করে এবং তার দুই ভাতিজার বউ বাধা দিতে আসলে তাদেরকেও টানা হ্যাচরা শীলতা হানি করে।
পরে নগদ টাকা এবং স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দুই ভাতিজা এসে চাচা হবি কে বাধা দিলে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে ।
এতে ধারালো অস্ত্রের কুপে নারীসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়।
এ ঘটনা বড় ভাই বিল্লাল মিয়া বলেন, আমার ছোট বোনদের ওয়ারিশান সম্পদ আমি ক্রয় করার কারণে আমার ছোট ভাই হবি মিয়া আমার সাথে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি করতো। শনিবার সন্ধ্যায় আমি বাড়িতে ছিলাম না বাজারের গিয়েছিলাম হঠাৎ করে আমার ঘরে ঢুকে আমার ছেলের বউদের মারধর শুরু করে সুকেসের তালা ভেঙ্গে ছেলের বউদের স্বর্ণালংকার ও টাকা পয়সা নিয়ে যাওয়ার সময় আমার ছেলেরা বাধা দিলে আমার দুই ছেলেকে দাঁড়ালো অস্ত্র রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে এ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।
হবি মিয়ার বড় মেয়ে রুমা আক্তার জানায়, আমার ফুপিদের ওয়ারিশ ২৫ কাটা সম্পদ ভাগে পেয়েছে তারা। সুফিদের ওয়ারিশ সম্পদ আমার বড় চাচা বিল্লাল মিয়া কিনে দলিল করার সময় আমাদের ভাগের সম্পদও ৭ কাটা সম্পদ দলিল করে নিয়েছে আমার বাবা জানেনা।
আমার বাবা অন্য একজনের কাছ থেকে জমি কিনেছে সাব রেজিস্টার অফিসে দলিল করতে গিয়ে জানতে পারেন বাবার ভাগের ৭কাটা জমি বড় চাচা দলিল করে নিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় আজ দুই ভাই ও ভাতিজাদের মধ্যে মারামারি হয়েছে।
এ বিষয়ে মদন থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ সালাহ উদ্দিন করিম বলেন, সংঘর্ষের হয়েছে শুনেছি। তবে এখনও লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।