
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে রাজনৈতিক প্রভাব ও বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। এর ফলে টানা তিনবার চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন গোলাম হাফিজ মৃধা। এতে দীর্ঘ সময় ধরে ইউনিয়নের ভোটাররা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ তাদের।
চেয়ারম্যান হওয়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক দলের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদের সঙ্গে তার আচরণ নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি। ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমে এককভাবে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও প্রশাসনিক রেকর্ড যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
চেয়ারম্যান গোলাম হাফিজ মৃধার বিরুদ্ধে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ না করে একাধিকবার কানাডা সফরের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বিদেশ সফরের আগে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন, ছুটি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার বিষয়টি যথাযথভাবে পালন করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করা হোক।
এদিকে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিক সেবা ব্যাহত হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা।
অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে চেয়ারম্যানের বিদেশ সফরের অনুমোদন, ছুটির নথি, ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম এবং পূর্ববর্তী নির্বাচনে তার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নলচিড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম হাফিজ মৃধার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলো যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।