1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‎গৌরনদীতে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বৃক্ষমেলা উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা-ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ” ধামরাইয়ে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে ছারছীনা দরবার শরীফ, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ত্রাণ বিতরণ কয়রায় মিথ্যা অভিযোগ ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন দ্বিতীয় স্ত্রীর বিচ্ছেদ,মাথায় ঋণের বোঝা,জীবনের চরম ট্র্যাজেডিতে আত্মহত্যা করেছে ইউপি সদস্য আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক জোনে বিনিয়োগ ছাড়াবে ১ বিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী প্রফেসর ড. রামদুলাল রায়ের রোগ মুক্তির জন্য গীতা পাঠ ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত ধামরাইয়ে দেবরবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ভাসুরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বদলে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ, গাংনীর কাজীপুরে আলোচনায় টুটুল ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আশুলিয়ায় জামায়াতের দোয়া ও স্মরণ সমাবেশ

তিতাসে অযত্ন অবহেলায় পড়ে থাকা জমিদার বাড়ির ভবন ধ্বস

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে

তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
ধীরে ধীরে ধ্বসে পড়ে নিশ্চিহ্নের পথে দুইশত বছর পুরনো পুরাকীর্তির অন্যতম নিদর্শন ও অমূল্য প্রত্নসম্পদ সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে থাকা কুমিল্লার তিতাসের মজিদপুর জমিদার বাড়ি।

সংস্কারের অভাবে, অযত্ন আর অবহেলায় জীর্ণ-শীর্ণ জঙলাবৃত হয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এসব ভবন দেখতে ভিড় করত দর্শনার্থীরা। ভবনগুলো সংরক্ষণ বা অপসারণ করা না হলে যে কোন সময় প্রানহানীর ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান আশপাশের বসবাসকারীরা।

একসময় জৌলুস আর ঠাটবাট থাকলেও জমিদার বাড়িটি এখন বিরান পড়ে আছে, চারদিকে থমথমে ভূতুড়ে পরিবেশ। ভবনগুলোর দেওয়ালে জন্মেছে পরগাছা। নোনা ধরা ইটের দেয়াল খসে খসে পড়ছে।দেয়াল দেয়ালে তৈরি হয়েছে বড় ফাটল। য কোন সময় ধ্বসে পড়ে অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে এটি।

বাড়ির নির্মাণশৈলী এখনো নজর কাড়ে। ভাঙাচোরা অবস্থায় বাড়িটি এখন কোনো রকমে টিকে আছে আর ধ্বংসের প্রহর গুনছে। বাড়ির বিভিন্ন কামড়ায় লাকড়ির স্তুত করে রেখেছেন স্থানীয়রা।গত শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, পরিত্যাক্ত জমিদার বাড়ি দ্বিতল ভবনের একটি অংশ ধ্বসে পড়ে যায়। এ সময় পাকঘরে রন্ধনে ব্যাস্ত ছিলেন এক গৃহিণী অল্পের জন্য তিনি বেচে যান। তিনি বলেন আল্লায়ই আমারে বাচাইছেন মাত্র ১ মিটার ভেতরে ভবনটি যদি আছড়ে পড়ত তহলে আমি স্তুপের নীচে চাপা পড়ে মারা যেতাম। ভাগ্য ভাল তাছাড়া বাচ্চার সে সময় ঐ যায়গায় খেলাধুলা করতে যায়নি। নতুবা কিযে হত?জানা যায়, ১৮০০ শতকের দিকে শ্রী রামলোচন রায় বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিতাস, হোমনা, মেঘনা ও মুরাদনগর এলাকা ছিল তার জমিদারির আওতাধীন। এই বাড়িতে মোট ১৭টি ভবন ছিল। এখন মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি অবশিষ্ট আছে। বাকিগুলো ধস ও দখলে নিমজ্জিত হয়ে গেছে ।

এ ছাড়া ১টি দিঘি ও ২০টি পুকুর খনন করা হয়েছিল। সেগুলো এখন নামেমাত্র আছে।ইতিহাসে এই বংশের কয়েকজন জমিদারের নাম পাওয়া যায়। তারা হলেন শ্রী কালীচরণ রায়, ব্রজেন্দ্র কুমার রায়, শিবচরণ রায়, পিয়ারী মোহন রায়, বিহারী মোহন রায়, শশী মোহন রায়, শরৎচন্দ্র রায়, মোহিনী মোহন রায়, ক্ষিতিষ চন্দ্র রায়, গিরিশ চন্দ্র রায়, শিরিশ চন্দ্র রায়, হরলাল রায়, যোগেশ চন্দ্র রায়, শ্রী নারায়ণ চন্দ্র রায়, শ্রী দুর্গাচরণ রায়, ক্ষেত্র মোহন রায়, কুঞ্জ মোহন রায় ও উপেন্দ্র চন্দ্র রায়। তাদের মধ্যে, ক্ষেত্র মোহন রায় তিতাস উপজেলার প্রথম এন্ট্রাস পাস, প্রথম গ্র্যাজুয়েট এবং আইনজীবী। উপেন্দ্র চন্দ্র রায় তিতাস উপজেলার প্রথম গ্র্যাজুয়েট ডাক্তার। রামলোচন রায়ের মতো আরো দুজন নামকরা জমিদার হলেন রাম সুন্দর রায় ও রামগতি রায়।

শ্রী রামলোচনের পরে তার বংশধররা ২০০ বছর এই জমিদারি দেখ শোনা করতেন। জমিদারি প্রথার অবসান ঘটলে তার বংশধররা সম্পত্তি রেখে ভারতে পাড়ি জমান। সেই থেকে পড়ে আছে জমিদার বাড়িটি। এ বাড়িতে এখন আর জমিদারদের কেউ থাকেন না।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভুমি) আশিক-উর- রহমান জানান,জমিদার বাড়িটি সংস্কারের ব্যাপারে আমরা প্রত্নতত্ত্ব দপ্তারে চিঠি দিয়েছিলাম এতে আমরা কোন সাড়া পাইনি। তাই এ ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নিতে পারিনি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD